নীল , স্বচ্ছ সুন্দর নদীর জন্য জনপ্রিয় লালাখাল । ভারতের চেরাপুঞ্জি থেকে বয়ে আসা নদীর রঙ মুগ্ধ করবে যে কাউকে । সেরা ভিউ এর জন্য যেতে হবে শীত এর সময় । সিলেট থেকে লোকাল বাসে বা গাড়ি রিজার্ভ করে ট্রাভেল করা যায় ।
সিলেট শহর থেকে দূরত্বঃ ৪২ কিলোমিটার
ভ্রমণের সেরা সময়ঃ সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি ।
পৃথিবীর সবচাইতে বৃষ্টিপাত প্রবন স্থান চেরাপুঞ্জি পাহাড় এর নিচে বয়ে আসা স্বচ্ছ ধলাই নদী ও পাথরের সম্রাজ্য নিয়ে সাদাপাথর বা ভোলাগঞ্জ । সরাসরি লোকাল বাস ও রিজার্ভ গাড়িতে ট্রাভেল করা যাবে ।
সিলেট শহর থেকে দূরত্বঃ ৪০ কিলোমিটার
ভ্রমণের সেরা সময়ঃ জুলাই থেকে নভেম্বর ।
মেঘালয়ের ঠিক পাশে পৃথিবীর সবচাইতে সুন্দর নদীগুলোর একটি দেখতে চলে আসতে হবে জাফলং , যেখান থেকে দেখতে পারবেন মেঘালয়ের বিখ্যাত ঝুলন্ত ব্রিজ ও স্বচ্ছ নদীর সৌন্দর্য ।
সিলেট শহর থেকে দূরত্বঃ ৬০ কিলোমিটার
ভ্রমণের সেরা সময়ঃ সারা বছর । (পাহাড়ি ঢল এর সময় বাদ দিয়ে)
বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির সোয়াম্প ফরেস্ট রাতারগুল । যেখানে জলের উপর বন দোলে । বর্ষাকালে গাছগুলো অর্ধেক পানির নিচে ডুবে থাকে, যা নৌকা ভ্রমণে এক অনন্য অভিজ্ঞতা দেয় ।
সিলেট শহর থেকে দূরত্বঃ ২৬ কিলোমিটার
ভ্রমণের সেরা সময়ঃ জুন, জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর।
মালনিছড়া উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন চা বাগান।
শহরের খুব কাছে হওয়ায় এটি স্বল্প সময়ে ঘুরে দেখার জন্য উপযুক্ত।
সিলেট শহর থেকে দূরত্বঃ ৫ কিলোমিটার
ভ্রমণের সেরা সময়ঃ সারা বছর।
জুন–সেপ্টেম্বর মাসে বাগান সবচেয়ে সবুজ থাকে।
পাহাড়ের পাশে স্বচ্ছ পানির হাওর , এর মাঝে থাকা গাছ আর শীতকালে পাখি দেখার জন্য বিখ্যাত টাঙ্গুয়ার হাওর যা সুনামগঞ্জের একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত RAMSAR সাইট।
সিলেট শহর থেকে দূরত্বঃ প্রায় ১১৫ কিলোমিটার (তাহিরপুর হয়ে)
ভ্রমণের সেরা সময়ঃ
জুলাই–সেপ্টেম্বর (বর্ষা) এবং ডিসেম্বর–জানুয়ারি (পাখি দেখার সময়)।
ব্রিটিশ আমলে চা বাগান আর ঐতিহাসিক ঝুলন্ত সেতু দেখতে পারবেন লোভাছড়া গেলে । যেতে যেতে নদী ও মেঘালয় সীমান্তের মনোমুগ্ধকর সব দৃশ্য দেখতে পারবেন ।
সিলেট শহর থেকে দূরত্বঃ ৭০ কিলোমিটার
ভ্রমণের সেরা সময়ঃ নভেম্বর–এপ্রিল (শীতকালে পানি স্বচ্ছ থাকে)।
নীলাদ্রি লেক বা শহীদ সিরাজ লেক বাংলাদেশের সবচাইতে সুন্দর লেক গুলোর একটি । নীল – সবুজ পানি আর পাহাড়ি দৃশ্যের জন্য এক মিনি কাশ্মির নামে ঢাকা হয় ।
সিলেট শহর থেকে দূরত্বঃ প্রায় ১২০ কিলোমিটার
ভ্রমণের সেরা সময়ঃ জুলাই–অক্টোবর (সবুজ পানি) ও শীতকাল (ক্যাম্পিং)।
বিছানাকান্দি খাসিয়া পাহাড়ের পাশে অবস্থিত একটি দৃষ্টিনন্দন পর্যটন স্থান হচ্ছে বিছানাকান্দি ।
স্বচ্ছ পানির স্রোত ও পাহাড়ি দৃশ্য এবং মনোমুগ্ধকর নৌকা ভ্রমনের জন্য বাকি পর্যটন স্পট থেকে এক আলাদা করেছে
সিলেট শহর থেকে দূরত্বঃ ৪৫ কিলোমিটার
ভ্রমণের সেরা সময়ঃ জুন–অক্টোবর (বর্ষাকালে সবচেয়ে সুন্দর)।
তামাবিল সীমান্ত সিলেট ও মেঘালয়ের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান।
এই সীমান্ত দিয়েই মেঘালয়ে প্রবেশ করতে হয়। এখানে বাংলাদেশের ০ কিলোমিটার মাইলস্টোন রয়েছে।
দূরত্বঃ ৫৫ কিমি
সেরা সময়ঃ যে কোন সময়
জাফলং এর পাশেই রয়েছে পাহাড়ি মায়াবি ঝর্ণা। বর্ষায় এর অপরূপ সৌন্দর্য থাকে।
ঝর্ণার শীতল পানি ও প্রাকৃতিক দৃশ্য ফটোগ্রাফির জন্য বিখ্যাত।
দূরত্বঃ ৬৫ কিমি
সেরা সময়ঃ এপ্রিল–আগস্ট
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে অবস্থিত ব্যক্তিমালিকানাধীন সুন্দর শিমুল ফুলের বাগান।
ফেব্রুয়ারি–মার্চ মাসে লাল শিমুল ফুলের রঙিন সমারোহ দেখা যায়।
দূরত্বঃ ৮০ কিমি
সেরা সময়ঃ ফেব্রুয়ারি–মার্চ
মেঘালয়ের সবুজ পাহাড়ের পাশে বিলের মধ্যে শত শত রঙিন শাপলা ফুল দেখতে সকালে যেতে হবে জৈন্তাপুরের শাপলাবিলে।
দূরত্বঃ ৬০ কিমি
সেরা সময়ঃ আগস্ট–নভেম্বর
বাংলাদেশের অন্যতম রহস্যময় বন লাউয়াছড়া। এখানে হলিউড মুভির শুটিং হয়েছে।
ভিতর দিয়ে যাওয়া রেললাইন সৌন্দর্য বাড়িয়েছে।
শ্রীমঙ্গল থেকে: ৫ কিমি
সেরা সময়: যে কোন সময়
প্রবেশ মূল্য: সরকারী নির্ধারিত
বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু জলপ্রপাত।
বর্ষায় পাহাড়ি দৃশ্য ও ট্রেকিং উপভোগ করা যায়।
শ্রীমঙ্গল থেকে: ৪০ কিমি
সেরা সময়: মে–সেপ্টেম্বর
দীর্ঘ ট্রেকিং এর পর দুই স্তরের জলপ্রপাত দেখা যায়।
দূরত্ব: ৪০ কিমি
সেরা সময়: বর্ষাকাল
নোট: অভিজ্ঞ গাইড প্রয়োজন
চা বাগানের ভেতরে জনপ্রিয় লেক।
চারপাশের টিলা ও চা বাগান পরিবেশ সুন্দর করে তোলে।
শ্রীমঙ্গল থেকে: ১৫ কিমি
সেরা সময়: যে কোন সময়
সাতচরী ন্যাশনাল পার্ক হাবিগঞ্জে অবস্থিত, যেখানে বন্যপ্রাণী এবং প্রাকৃতিক পথের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।
ভ্রমণের সেরা সময়ঃ বছরের যে কোন সময়
প্রবেশ মূল্যঃ কম / সরকারী নির্ধারিত
শমসেরনগরের ক্যামেলিয়া টি গার্ডেনের ভেতরে এই লেক রয়েছে।
প্রসারিত চা বাগান ও স্বচ্ছ পানি যে কাউকে মুগ্ধ করবে।
নোটঃ বাগানের কর্মীরা অনেক সময় প্রবেশে বাধা দেয়।
মৌলভীবাজারে অবস্থিত দৃষ্টিনন্দন হাওড় হাকালুকি।
এখানে নৌকা ভ্রমণ, পাখি দেখা এবং হাওরের জীবনধারা অভিজ্ঞতা নেওয়া যায়।
ভ্রমণের সেরা সময়ঃ বর্ষাকাল
হবিগঞ্জে অবস্থিত বিশাল বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রেমা কালেঙ্গা।
এখানে জঙ্গল ট্রেইল, পাখি পর্যবেক্ষণ এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।
ভ্রমণের সেরা সময়ঃ যে কোন সময়
নোটঃ সোলো ট্রাভেলিং ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
খাদিমনগর জাতীয় উদ্যান সিলেটের খাদিম নগরে অবস্থিত।
এখানে বনভ্রমণ, পাহাড়ি দৃশ্য ও প্রাকৃতিক ফটোগ্রাফি উপভোগ করা যায়।
রয়েছে রাতে ক্যাম্পিং এর সুযোগ।
দূরত্বঃ ১৫ কিমি
সেরা সময়ঃ বছরের যে কোন সময়
প্রবেশ মূল্যঃ ২৩ টাকা
সিলেট শহরের খুব পাশে অবস্থিত সুন্দর লেক বাইশ টিলা।
বর্ষাকালে বিল উপভোগ ও প্লেন স্পটিং (এয়ারপোর্ট পাশেই) জনপ্রিয়।
রঙিন ফুলের নৌকা এখানে বিশেষ আকর্ষণ।
দূরত্বঃ ১৫ কিমি
সেরা সময়ঃ বর্ষাকাল
এমসি কলেজের পেছনে অবস্থিত সুন্দর বন এলাকা আলুরতল।
এক পাশে উঁচু গাছের জঙ্গল, অন্য পাশে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার।
দূরত্বঃ ৫ কিমি
সেরা সময়ঃ যে কোন সময়
সিলেট শহরের ভেতরে সুরমা নদীর উপর দাঁড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক নিদর্শন কিন ব্রিজ।
দেড়শ বছরের বেশি সময় ধরে এটি সিলেটের প্রতীক।
পাশেই রয়েছে বিখ্যাত আলী আমজাদের ঘড়ি।
ভ্রমণের সেরা সময়ঃ যে কোন সময়